সুস্বাস্থ্যের ছয়টি উপায়

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে শরীর সুস্থ রাখার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানা যায়।

প্রকৃতির কাছে যাওয়া: ভ্রমণ করা, বাইরে ধ্যান করা, পাহাড়ে চড়া, সমুদ্রে সাঁতার কাটা ইত্যাদি কাজের মধ্য দিয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা যায়। অবসাদ কমানোর জন্য জীবনযাত্রার উপর বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশের চাপ কমাতে হবে এবং যত বেশি প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়া যাবে ততই এই চাপ কমানো সম্ভব হবে।

আন্টি-ডায়েট অনুসরণ করা: সকলেই খাবারের বিষয়ে একটু সচেতন হওয়ার চেষ্টা করে থাকে, তাই শরীর যখন সত্যিকার অর্থেই খাবারের চাহিদা অনুভব করে তখনই খাবার খাওয়া উচিত। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ‘যারা সচতনতামূলক খাদ্য স্কেলে’ ভালো স্কোর করেছে তাদের মধ্যে খাবারের বিষয়ে উদ্বেগ কম থাকে।

গ্রিন টি: এর গুঁড়া দিয়ে তৈরি বার, দুধ এবং মিষ্টান্ন গত বছর সর্বত্র সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ছিল। ধ্যান করতে ও মানসিক স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য প্রাচীনকালে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা ও সামুরাই যোদ্ধারা গ্রিন টি পান করত।

কর্মক্ষেত্রে সুস্থতা: কর্মক্ষেত্রে সুস্থতা প্রয়োজন। অফিসে যোগ ব্যায়াম অথবা অফিসের জিমে ব্যায়াম করতে পারেন। যদি শরীরের সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দেন তাহলে অফিসের কাজ কর্মেও সুস্থভাব আসবে।

জীবনের জন্য দৌড়ানো: দৌড়ানো স্বাস্থ্য রক্ষার বর্ষসেরা উপায় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য দৌড়ানো অপরিহার্য।

চিনি এড়ানো: ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, চিনি শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলার দিক থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের উপর চিনি, কোকেনের মতই প্রভাব রাখে, ফলে এর আসক্তি বেশ দৃঢ় হয়। গবেষণার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেই প্রাকৃতিক মিষ্টি খাওয়া শুরু করেছেন।

 

Source: http://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article1278130.bdnews

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *